মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

সোহাগপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

বেলকুচি উপজেলা সদরে মেয়েদের মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা লাভের জন্য যখন স্বতন্ত্র কোন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ছিল না সে সময়ে বেলকুচি সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক মরহুম আবু কোরাইশী খানের নেতৃত্বে এলাকার সেই সময়ের অন্যাণ্য শিক্ষানুরাগী সমাজ সেবক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এক হয়ে ১৯৬৭ সালে তৎকালীন এলাকার ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান সোহাগপুর  সমাজ উন্নয়ন সংস্থার দোতালা সুন্দর গৃহে কিছু সংখ্যক ছাত্রী নিয়ে একটি নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় হিসেবে বর্তমান সোহাগপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত উক্ত প্রায় ৫ বছর ক্লাব ঘরেই বিদ্যালয়টি শিক্ষা কার্যক্রম চলতে থাকে। স্বাধীনতার পর বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আবু কোরাইশী খান তখনকার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিদ্যালয়ের যাবতীয় দায়-দায়িত্ব এলাকার রাজনৈতিক নেতা, সমাজ সেবক, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা  বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক আলহাজ গাজী মোঃ সাইদুর রহমানের  উপর ন্যাস্ত করে চট্টগ্রাম চলে যান। এর পর গাজী মোঃ সাইদুর রহমান বিদ্যালয়ের তৎকালীন পরিচালনা কমিটির সদস্য আঃ মালেক খান, আব্দুল হাই সরকার, মোঃ মোকছেদ আলী প্রামানিকসহ এলাকার শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে সংগে নিয়ে বিদ্যালয়টির সার্বিক উন্নয়ন কাজে অগ্রসর হন। বাজারের ভিতরে অবস্থিত ক্লাব ঘর থেকে সাময়িক ভাবে বিদ্যালয়টি মুসলিমলীগ নেতা জনাম এম.এ. মতিনের বাড়ী যা তখন সরকারী হেফাজতে ছিল সেখানে স্থানান্তর করা হয়। বিদ্যালয়ের নিজস্ব কোন ঘর এবং জায়গা না থাকার ঐ সময় সরকারী কর্তৃপক্ষ থেকে সাময়িক ভাবে বিদ্যালয়ের মুঞ্জুরী স্থগিত করে দেয় হঠাৎ করে বিদ্যালয়ীট দারুন সংকটে পতিত হয়। আতঃপর গাজী মোঃ সাইদুর রহমানের প্রচেষ্টায় সোহাগপুর মেৌজায় জমি ক্রয় করে সেখানে নিজ জমির উপর বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।  সেখানে ২টি পাকা ভবন ও ১টি টিন সেড ঘরে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম ভালভাবে চলতে থাকে। ১৯৮০ সালে যমুনা নদীর প্রবল ভাংগনে বিদ্যালয়টি যমুনা গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় পুনরায় এক ভয়াবহ সংকটের সৃস্টি হয়। ঐ সময় সাময়িক ভাবে কিছুদিন ক্ষিদ্রমাটিয়া গ্রামের জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন ঝন্টুর বাড়ীতে অস্থায়ী ভাবে বিদ্যালয়টির কার্যক্রম পরিচালনা করার পর বর্তমানে বেলকুচি সিরাজগঞ্জ সড়কের পশ্চিম পার্শে মুকুন্দগাঁতী মেৌজায় বিদ্যালয়ের নামে ক্রয় করা ৩৯ শতাংশ এবং সাবেক প্রধান শিক্ষক মরহুম শুকুর মাহমুদ ও বর্তমান প্রধান শিক্ষক আলহাজ গাজী মোঃ সাইদুর রহমানের মালিকানাধীন ৩৩ শতাংশ জমির উপর বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী বালিকা বিদ্যালয় হিসেবে মাথা উচু করে দাড়িয়েছে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
আলহাজ গাজী মোঃ সাইদুর রহমান 0 ueo.belkuchi.06@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

 

শ্রেণী

মোট

ষষ্ঠ

৪৩০

সপ্তম

৩৭০

অষ্টম

৩৬০

নবম

২০০

দশম

২৬৫

মোট =

১৬২৫

৮৪%

ক্রমিক

সদস্যদের নাম

পদবী

আলহাজ মোঃ আলতাফ হোসেন সরকার

সভাপতি

মোঃ ফজলুল হক সরকার

সদস্য

শ্রী প্রকাশ চন্দ্র সাহা

‘’

মোঃ আঃ মতিন সরকার

‘’

মোঃ আজিজুল হক খান

‘’

মোঃ আশরাফ আলী

‘’

ক্রমিক

পরীক্ষার নাম

২০০৯

২০১০

২০১১

জেএসসি

-

৫৫.১০%

৮৪.৪৩%

এসএসসি

৫৩.৭৯%

৯৩.২৬%

৮৩.৮৫%

৮ম শ্রেণীতে ২০১২ সালে জুনিয়র বৃত্তি ৭ জন।

বিদ্যালয়টির মেধাবৃত্তি, খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক ও স্কাউটিং কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বিদ্যালয়টির অর্জন সন্তোষ জনক।

বিদ্যালয়টিতে লেখা পড়ার মান উন্নয়নের  পরিকল্পনা রয়েছে। 

উপজেলা সদর থেকে রিক্সা, ভ্যান, মোটর সাইকেল, পায়ে হেটে।

পত্র যোগাযোগ :

প্রধান শিক্ষক

সোহাগপুর পাইলট বালিকা  উচ্চ বিদ্যালয়

ডাকঘর-সোহাগপুর,

উপজেলা- বেলকুচি, জেলা- সিরাজগঞ্জ।